কেউ মৃতদেহের সঙ্গে কেউবা সাপের সঙ্গে বিয়ে করেছে!

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোনো মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। প্রেম বয়স, চেহারা দেখে হয় না। এমন অনেক দম্পতি আছে যারা তাদের জন্য অনন্য জীবন সঙ্গী খুঁজেছেন। এমনকি তাদের সাথে বিয়েও করেছেন। কেউ মৃতদেহের সাথে বিয়ে করেছে। আবার কেউ আইফেল টাওয়ারের সাথে বিয়ে করেছে।

থাইল্যাল্ডের বাসিন্দা চাডিল ডিফীর জীবন শূন্য হয়ে গিয়েছিল, যখন তার বান্ধবী সরণয়া কামসুকের মৃত্যু হয়েছিল। একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় সরণয়ার মৃত্যু হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর ডিফী সরণয়ার মৃতদেহের সাথে বিয়ে করেছিল।

পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা দুই বাচ্চার মা মারিয়া বুত্জকী তার স্বামী পল এবং প্রেমিক পিটার দুজনের সাথে এক বাড়িতেই থাকেন।

আমেরিকরা ম্যাসাচুসেটসের আরো ড্রাবেন এবং লিয়া বেনিনঘোফ অন্যান্য দম্পতিদের থেকে আলাদা। কারণ তারা তারা প্রতি সপ্তাহে একে অপরের রক্ত পান করেন।

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষের শিরোনাম জয়ী সুলতানের কোশেনের জন্য তার উচ্চতার মেয়ে খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছিল না। সুলতানের কোশেনের উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি। কিন্তু তার স্ত্রী তার থেকে ৩ ফুট ছোট

জাপানের সেল ৯০০০ আনোগাস্কী নামের কম্পিউটার গেমের একটি ক্যারেক্টারের সাথে বিয়ে করেছে। এটি নাইনটেন্ডো ডিএস ভার্চুয়াল ডেটিং লভ প্লাসের ক্যারেক্টর। বিয়ে ২০০৯ সালে হয়েছিল।

ক্রোয়েশিয়ার আমান্ডা রজার নিজের কুকুরকে বিয়ে করেছে। ২০১২ সালে তিনি তার পোষা কুকুর শিবাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। বিবাহ অনুষ্ঠানে এসেছিল ২০০ জন অতিথি।

কোবরা সাপের সাথে বিবাহ করেছে উড়িষ্যার বিমবালা দাস নামক এক মহিলা। ২০০৬ সালে তিনি এই বিয়ে করেছিলেন। তিনি বলেছেন যখনই তার সঙ্গীর সাথে দেখা করার ইচ্ছা হয় তখন তিনি বিলে গিয়ে দুধ দেন।

প্যারিস তার রোমান্টিকতার জন্য বিখ্যাত। কিন্তু রহী এরিকার জীবনে এই ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। তিনি শুধুমাত্র আইফেল টাওয়ারের সাথে বিয়ে করেছেন তাই নয়, তিনি নাম পাল্টে রেখেছেন এরিকা লা টাওয়ার।