কিভাবে একটি ভালো ল্যাপটপ কিনবেন

গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা গেম খেলার জন্য ল্যাপটপ হচ্ছে সর্বোত্তম টুল। যদিও মোবাইল ও ট্যাবলেট ব্যবহারের দিক দিয়ে জনপ্রিয়, কিন্তু রিসার্চ পেপার টাইপিং থেকে শুরু করে ভিডিও দেখা, গেম খেলা ইত্যাদি সব কিছুই ল্যাপটপে অপেক্ষাকৃত ভালোভাবে করা যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে কোন ধরনের ল্যাপটপ কেনা উচিত। সাইজ, ফিচার, মূল্য ভেদে ল্যাপটপ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাই ল্যাপটপ কেনার পূর্বে আপনার চাহিদাগুলো যাচাই করে নিন। নিম্নে বর্ণিত ৮টি ধাপ অনুসরণ করলে আশা করা যায় আপনার জন্য ল্যাপটপ কেনা সহজ হবে।

ল্যাপটপের বর্তমান মূল্য তালিকা

১. প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করুনঃ ম্যাক, উইন্ডোজ নাকি ক্রোম ওএস- আপনি যদি ম্যাক বা পিসির সাথে পরিচিত না হয়ে থাকেন তাহলে এই প্রশ্নটির উত্তর আপনার জন্য খানিকটা কঠিন হবে। প্রত্যেকটি প্ল্যাটফর্মের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।
উইন্ডোজ- এটি হচ্ছে সবচেয়ে সহজবোধ্য অপারেটিং সিস্টেম। ক্রোম ওএস ও ম্যাকের তুলনায় উইন্ডোজের অনেকগুলো মডেল আছে। উইন্ডোজে টাচ স্ক্রীন থেকে শুরু করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার, ডুয়েল গ্রাফিক্স চিপসহ নানান রকমের ফিচার আছে। উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে মাইক্রোসফট ফ্লাগশিপ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ যা উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর তুলনায় কিছু বাড়তি সুবিধা প্রদান করে। উইন্ডোজ ১০ এ আছে ট্যাবলেট থেকে ডেক্সটপ মোডে পরিবরতনের ক্ষমতা, লাইভ টাইলসসহ রিভাম্পড্‌ স্টার্ট মেনু এবং শক্তিশালী করটানা ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। অবশ্য ২০১৫ সালের জুলাই তে বাজারে আসার পর উইন্ডোজ ১০ আরও কিছু ইমপ্রুভমেন্ট এনেছে যা হলো ফলও-আপ প্রশ্নের ব্যবহার, সহজাত ভাষা ব্যহারের মাধ্যমে ইমেইল খোজা এবং স্টাইলাস দ্বারা যেকোনো স্থানে লিখা।
অ্যাপেল ম্যাকওএস- সব ম্যাকবুকেই আছে অ্যাপেলের ডেক্সটপ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ ম্যাকওএস সিয়ারা। অল্প কিছু ভিন্নতা বাদে সামগ্রিকভাবে এই অপারেটিং সিস্টেমের কার্যকারিতা প্রায় উইন্ডোজ ১০ আর মতই। এর ইন্টারফেস উইন্ডোজ থেকে হালকা ভিন্ন এবং এতে করটানা ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্টের পরিবর্তে সিরি ব্যবহৃত হয়। ম্যাক ব্যবহারকারীরা অ্যাপেল পে চেকের মাধ্যমে লেনদেন করতে, অ্যাপেল ঘড়ির মাধ্যমে ল্যাপটপ আনলক করতে এবং মোবাইলের মাধ্যমে কল ও টেক্সট আদান-প্রদান করতে পারে। ম্যাকবুকে কোনও টাচ স্ক্রীন নেই।
ক্রোম ওএস- গুগল ওএস খুবই সাধারণ ও নিরাপদ কিন্তু সীমিত। এর ইউজার ইন্তারফেস উইন্ডোজের মতই কিন্তু এর প্রধান অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে ক্রোম ব্রাউজার। এর অসুবিধা হচ্ছে অফলাইনে থাকা অবস্থায় প্রয়োজনীয় কিছু ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ভালোমতো কাজ করেনা। কিন্তু ক্রোমবুক সস্তা ও হালকা হওয়ায় ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল চেক, সোশাল মিডিয়া ব্যবহার ও অনলাইন চ্যাটিং এর জন্য বেশ ভালো। এর ব্যাটারি লাইফও যথেষ্ট ভালো।

 

২. আপনি কি ২-ইন-১ চান তা নির্ধারণ করুন- বর্তমানে অনেক ২-ইন-১ ক্যাটাগরির ল্যাপটপ আছে যা গতানুগতিক ক্ল্যামশেল মোড, ট্যাবলেট মোড এবং আরও বিভিন্ন মোডে পরিবর্তিত হতে পারে। ২ ধরনের ২-ইন-১ ল্যাপটেপর একটিতে আছে ডিটাচেবল স্ক্রীন যা কীবোর্ড থেকে পুরোপুরি আলাদা করা যায় ও অপরটি নমনীয় ল্যাপটপ যা ৩৬০ ডিগ্রী পর্যন্ত ঘুরিয়ে মোড পরিবর্তন করা যায়। আপনার যদি ল্যাপটপকে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজন না পরে তাহলে আপনি অপেক্ষাকৃত কম দামে অনেক শক্তিশালী ল্যাপটপ পাবেন।

 

৩. সঠিক সাইজ বাছাই করুন- স্পেসিফিকেশন ও মূল্য দেখার আগে চিন্তা করুন আপনি কতটুকু হালকা ল্যাপটপ চান। ডিসপ্লে সাইজের উপর ভিত্তি করে ল্যাপটপগুলোকে শ্রেণীভুক্ত করা হয়।
*১১ থেকে ১২ ইঞ্চি- এ সাইজের ল্যাপটপগুলো সবচেয়ে হালকা ও পাতলা হয়। এগুলোর ওজন সাধারণত ২.৫ থেকে ৩.৫ পাউন্ড হয়ে থাকে।
*১৩ থেকে ১৪ ইঞ্চি- বহনযোগ্যতা ও ব্যবহারযোগ্যতার দিক থেকে এই সাইজের ল্যাপটপগুলো সর্বোত্তম যদি তা ৪ পাউন্ডের নিচে হয়ে থাকে।
*১৫ ইঞ্চি- এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইজ এবং সাধারণত ৪.৫ থেকে ৬.৫ পাউন্ড ওজনের হয়ে থাকে। আপনার যদি বড় স্ক্রীনের প্রয়োজন হয় এবং আপনি যদি ল্যাপটপ নিয়ে চলাচল করতে না চান তাহলে এই সাইজটি আপনার জন্য শ্রেয়।
*১৭ থেকে ১৮ ইঞ্চি- আপনি যদি ল্যাপটপটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে চান এবং আপনার যদি গেম খেলার প্রতি আকর্ষণ থেকে থাকে তাহলে এই সাইজটি নির্বাচন করতে পারেন।

 

৪. কীবোর্ড ও টাচপ্যাড চেক করুন- আপনি যদি ল্যাপটপে প্রচুর কাজ করার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে কীবোর্ডের সলিড টেকটাইল ফিডব্যাক, ভারটিক্যাল ট্র্যাভেল(সাধারণত ১ থেকে ২ এমএম) এবং কিগুলোর মাঝখানে যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। সঠিক টাচপ্যাড নির্বাচন করুন যা মাল্টি টাচ সংকেতে ধারাবাহিকভাবে সাড়া দেয়। খেয়াল রাখবেন যাতে টাচপ্যাডের কার্সার জাম্পি না হয়। আপনি যদি একটি বিজনেস ল্যাপটপ ক্রয় করতে চান তাহলে জি এবং এইচ বাটনের
মাঝে পয়েন্টিং স্টিক আছে এমন একটি ল্যাপটপ বাছাই করতে পারেন কারন এতে করে আপনি কীবোর্ডের হম রো থেকে হাত না সরিয়েই নেভিগেশনের কাজ করতে পারবেন।

 

৫. স্পেসিফিকেশন নির্ণয় করুন- ল্যাপটপের হার্ড ড্রাইভ, র‍্যাম, প্রসেসর, গ্রাফিক্স চিপ ইত্যাদি বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। তাই নিম্নে বর্ণিত উপাদানগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন।
*সিপিইউ- একে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়। কম্পিউটারের উপর প্রসেসরের ব্যপক প্রভাব রয়েছে। কর্মক্ষমতার উপর ভিত্তি করে প্রসেসর বিভিন্ন রকমের হয়।
ইন্টেল কোর আই৫- মূল্য এবং কর্মক্ষমতা সমন্বয় করে মূলধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় সিপিইউ ইন্টেল কোর আই৫। যেসব প্রসেসর মডেলের শেষে ইউ আছে সেগুলো প্রচলিত মডেল। মডেলে ওয়াই আছে যেগুলোতে সেগুলো অপেক্ষাকৃত কম কর্মক্ষমতাসম্পন্ন। এইচকিউ মডেলগুলোর ৪টি কোর থাকে। ইন্টেলের সর্বশেষ প্রজন্ম হচ্ছে ‘কাবি লেইক’ সিপিইউ যার মডেল নাম্বার ৭ দিয়ে শুরু হয়। এটির কর্মক্ষমতা অপেক্ষাকৃত সবচেয়ে ভালো।
ইন্টেল কোর আই৭- এটি ওয়ার্কস্টেশন ও গেমিং এর জন্য প্রচলিত। এইচকিউ ও কে মডেলের প্রসেসরগুলো অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এবং এগুলোর ৪টি কোর থাকে। যার ফলে প্রসেসরগুলোর কর্মক্ষমতা আরও অনেক বেড়ে যায়। ওয়াই সিরিজের চিপগুলো অপেক্ষাকৃত কম কর্মক্ষমতাসম্পন্ন। ইন্টেল কোর আই৭ এর সর্বশেষ প্রজন্মের মডেলগুলোতে ৭ আছে।
ইন্টেল কোর আই৩- এর কার্যক্ষমতা ও মূল্য দুটোই কোর আই৫ আর চেয়ে একটু কম।
এএমডি এ, এফএক্স বা ই সিরিজ- চিপগুলো স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপে পাওয়া যায়। একে সাধারণত সিপিইউ না বলে এপিইউ বলা হয়। মূল্য অনুসারে এগুলো যথাযোগ্য পারফর্মেন্স দিয়ে থাকে।
ইন্টেল অ্যাটম- এই চিপগুলো অতি সাশ্রয়ী মূল্যের ল্যাপটপে পাওয়া যায়। চিপগুলো ব্যাসিক পারফর্মেন্স দিয়ে থাকে। এর একটি সুবিধা হচ্ছে এর ব্যাটারি লাইফ ইন্টেল পেন্টিয়াম বা সেলেরনের থেকে বেশি।
ইন্টেল পেন্টিয়াম / সেলেরন- এগুলো অ্যাটমের তুলনায় একটু দ্রুত কাজ করে।
ইন্টেল জেনোন্- এগুলো বড় মোবাইল ওয়ার্কস্টেশনে ব্যবহৃত অত্যন্ত শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল প্রসেসর। আপনি যদি প্রফেশোনাল ইঞ্জিনিয়ারিং, থ্রিডি মডেলিং বা ভিডিও এডিটিং করেন থাকেন তাহলে হয়তো আপনি এই প্রসেসর কেনার কথা চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু এটি অপেক্ষাকৃত অনেক ভারী হবে এবং এর ব্যাটারি লাইফ খুবই সীমিত।

 

*র‍্যাম- বাজারে ২জিবি, ৪জিবি, ৮জিবি ও ১৬জিবির র‍্যাম পাওয়া যায়। আদর্শ র‍্যাম হচ্ছে ৪জিবি। বাজেট একটু বেশি থাকলে ৮জিবি র‍্যাম ভালো। ১৬জিবি র‍্যাম বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর দক্ষতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

*স্টোরেজ ড্রাইভ- স্টোরেজ ড্রাইভের গতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার যদি বাজেট বেশি থাকে এবং প্রচুর ইন্টারনাল স্টোরেজের প্রয়োজন না থাকে তাহলে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের বদলে সলিড স্টেট ড্রাইভের ল্যাপটপ কিনুন। কারন এটি সাধারণ ল্যাপটপগুলো থেকে কমপক্ষে ৩ গুন দ্রুত কাজ করে। PCIe x4 এসএসডি প্রচলিত সাটা ড্রাইভ থেকে ৩ গুন দ্রুত। ইএমএমসি মেমরিগুলো টেকনিক্যালি এসএসডি হলেও তা হার্ড ডিস্কের চেয়ে দ্রুত না।

 

*ডিসপ্লে- কন্টেন্ট ধারন ক্ষমতা নির্ভর করে পিক্সেলের উপর। যত বেশি পিক্সেল ছবি তত বেশি স্পষ্ট হবে। মূলধারার ল্যাপটপগুলোতে সাধারণত ১৩৬৬ x ৭৬৮ পিক্সেলের ডিসপ্লে থাকে। কিন্তু বাজেট খানিকটা বাড়ালে ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলের বা ফুল এইচডি ডিসপ্লে পাওয়া যাবে। এছাড়াও ২৫৬০ x ১৬০০, ৩২০০ x ১৮০০, ৩৮৪০ x ২১৬০ পিক্সেলের ল্যাপটপও আছে। কিন্তু এগুলো বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে যার ফলে ব্যাটারি লাইফ কমে যায়।

 

*টাচস্ক্রীন- ২-ইন-১ ল্যাপটপ ছাড়া টাচস্ক্রীনের তেমন একটি সুবিধা নেই। ব্যাটারি লাইফও ৩ ভাগের ১ ভাগ হবে। শুধু ২-ইন-১ ল্যাপটপের টাচস্ক্রীন হয় মানসম্পন্ন।

 

*গ্রাফিক্স চিপ- আপনি যদি গেমস না খেলেন, থ্রিডি অবজেক্ট তৈরি না করেন বা হাই রেজোলিউশান ভিডিও এডিটিং না করেন তাহলে আপানার জন্য ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিচক্স চিপই যথেষ্ট। উপরে উল্লেখিত কাজের জন্য এনভিডিয়া ও এএমডির স্বতন্ত্র গ্রাফিক্স চিপ রয়েছে। বাজারে বিভিন্ন মানের গ্রাফিক্স চিপ পাওয়া যায়।

 

*ডিভিডি/ব্লু-রে ড্রাইভ- যেহেতু সব সফটওয়্যার ও মুভি ডাউনলোড করা যায় তাই খুব কম ল্যাপটপেই অপটিক্যাল ড্রাইভ রয়েছে। আপনার পছন্দের ল্যাপটপটিতে যদি অপটিক্যাল ড্রাইভ না থাকে তাহলে একটি এক্সটারনাল ড্রাইভ কিনে নিতে পারবেন।

 

৬. ব্যাটারি লাইফ- আপনি যদি কোনও আউটলেটে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে চান তাহলে ব্যাটারি লাইফ নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। কিন্তু আপনি যদি অঙ্কদেশে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাহলে এমন ল্যাপটপ কিনবেন যার ব্যাটারি লাইফ অন্তত ৬ ঘণ্টা। অবশ্য ৮ ঘণ্টা ব্যাটারি লাইফ হচ্ছে আদর্শ। ব্যাটারি লাইফ নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারকের কথা না শুনাই শ্রেয়। বরং কোন তৃতীয় পক্ষ দ্বারা জানাই ভালো।

 

৭. বাজেট অনুযায়ী পরিকল্পনা- আজকাল ২০,০০০ তাকার মধ্যেই ব্যবহারোপযোগী ল্যাপটপ পাওয়া যায়। তবে বাজেট বাড়ালে অপেক্ষাকৃত ভালো ল্যাপটপ পাওয়া যাবে।
*২০,০০০ টাকা- এগুলো হচ্ছে সবচেয়ে কম বাজেটের ল্যাপটপ। এগুলোতে সাধারণত কমক্ষমতাসম্পন্ন উইন্ডোজ বা গুগল ওএস চলে। মেমোরি অপেক্ষাকৃত কম ও প্রসেসরও ধীর গতির। বাচ্চাদের ব্যবহারের জন্য এগুলো আদর্শ। এইচপি স্ট্রিম ১১, লেনোভো আইডিয়াপ্যাড ১০০এস হচ্ছে সবচেয়ে কম মূল্যের ল্যাপটপ।
*২৮,০০০ থেকে ৪৫,০০০ টাকা- ৪৫,০০০ টাকার মধ্যে ইন্টেল কোর আই৫ বা এএমডি এ৮ সিপিইউ, ৪/৮ জিবি র‍্যাম, ৫০০জিবি/১টিবি হার্ড ড্রাইভ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফিচারসহ ল্যাপটপ পাবেন। কিন্তু এই মূল্যের বেশিরভাগ ল্যাপটপে এসএসডি ড্রাইভ, ফুল এইচডি ডিসপ্লে ও দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ হবেনা। কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে যেমন আসুস ভাইভোবুক ই৪০৩এসএ এবং লেনোভো থিঙ্কপ্যাড ১৩।
*৪৫,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা- এই মূল্যে প্রিমিয়াম মানের ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। মেটাল ডিজাইন, এসএসডি, ফুল এইচডি ডিসপ্লে ইত্যাদি এই মূল্যের সব ল্যাপটপেই আছে।
*৭০,০০০ থেকে বেশি- এই মূল্যে উন্নতমানের শক্তিশালী, বহনযোগ্য, হাই রেজোলিউশান, দ্রুত প্রসেসর ও গ্রাফিক্স কার্ড সংবলিত ল্যাপটপ পাবেন। যেমন অ্যাপেল ম্যাকবুক, ডেল এক্সপিএস ১৩ ইত্যাদি। ওয়ার্কস্টেশনগুলোর মূল্য ১,০০,০০০ টাকার বেশি হয়ে থাকে।

 

৮. ব্র্যান্ড ভ্যালু- ল্যাপটপ কেনার পূর্বে অবশ্যই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের মান বিবেচনা করবেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টেকনিক্যাল সাপোর্ট বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। তাছাড়া ব্র্যান্ডগুলো বাজারে কিভাবে প্রতিযোগিতা করছে তাও জেনে নেয়া ভালো।

উপরে উল্লেখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি আপনার পছন্দের ল্যাপটপটি আজই কিনে নিতে পারবেন।

ল্যাপটপের বর্তমান মূল্য তালিকা

Facebook Comments